উৎস: বন বিভাগের প্রতিবেদন ও সংবাদ মাধ্যম (আনুমানিক)
উৎস: বন্যপ্রাণী অপরাধ ইউনিটের তথ্য
উৎস: আদালত ও পুলিশ রেকর্ড (আংশিক)
ইনানি রেঞ্জ অফিসার। চক্রের মূল নেতা। ঘুষের বিনিময়ে বন ধ্বংস। বর্তমানে সাময়িক বরখাস্ত। [সূত্র: টাইমস অফ বাংলাদেশ]
মনখালী, রাজাপালং, জালিয়াপালং বিটের কর্মকর্তারা সরাসরি জড়িত। ঘুষের বিনিময়ে গাছ পাচার ও পাহাড় কাটার অনুমতি দিতেন।
স্থানীয় মোড়ল ও দালালরা ঘুষ সংগ্রহ ও জমি দখলের কাজে সরাসরি অংশ নেয়।
ঘুষের হার: নতুন বাড়ি বানাতে ৫০-১০০ ক টাকা, সুপারি বাগান ২০-৪০ ক টাকা, গাছ পাচার ৩০-৫০ ক টাকা, জমি বিক্রি ১ লাখ টাকা পর্যন্ত। [সূত্র: টাইমস অফ বাংলাদেশ]
ইনানি রেঞ্জে ২০২১-২৪: কমপক্ষে ২টি হাতি নিহত (বিষ প্রয়োগ ও গুলি)।
হাতির আক্রমণে ৫ জন নিহত; পাহাড় কাটতে গিয়ে ৪ শ্রমিকের মৃত্যু।
সাজ্জাদুজ্জামান – মাটি পাচার ঠেকাতে গিয়ে ডাম্প ট্রাকচাপায় নিহত। [সূত্র: নিউএইজ]